শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৩ই শাবান ১৪৪৫ হিজরি

সেই প্রশ্নের উত্তর আজো পাইনি- প্রধানমন্ত্রী

প্রভাতী ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের কথা কেউ কী আগে জানতে পারেনি সেই প্রশ্ন আবারো সামনে নিয়ে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্রশ্নের উত্তর তিনি আজো খুঁজে বেড়ান।

জাতির পিতাকে হত্যার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, এত বড় একটা ঘটনা ঘটল। বাংলাদেশে কী কোনো লোক জানতে পারল না? কেউ কোনো পদক্ষেপ নিল না। ওই লাশ পড়ে থাকলো ৩২ নাম্বারে..কেন? সেই উত্তর আমরা এখনো পাই নি। এত বড় সংগঠন এত নেতা কোথায় ছিল?

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামীলীগের আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঝে মাঝে আমার এটা জানতে ইচ্ছে করে যে কেউ সাহস করে এগিয়ে আসতে পারলো না? বাংলার সাধারণ মানুষতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে ছিলেন। হয়ত এই ব্যর্থতার খেসারত দিতে হয়েছে জাতিকে। কারণ জাতির পিতাকে হত্যার পর বারবার ক্যু হয়েছে। ১৮/১৯টা ক্যু হয়েছে এ দেশে। অত্যাচার নির্যাতন চলেছে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর। সেসময় কেউ যদি সাহস করে দাঁড়াত হয়ত এই অত্যাচার হত না, বারবার ক্যু হত না।

বারবার ক্যু হয়ে দেশকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, যে বাংলাদেশ হবে উন্নত সমৃদ্ধ সে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে চলে গিয়েছিল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির পিতা শুরু করেছিলেন, বিচারের হাত থেকে রেহাই দিয়ে তাদের বসানো হয়েছিল ক্ষমতায়।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমার মাঝে মাঝে অবাক লাগে সে নয়টা মাস, একাকী পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী। একটি বৈরী পরিবেশ, বৈরী আবহাওয়া, সেখানে যেমন গরম তেমন শীত, তাকে কীভাবে রেখেছিল, কী খেতে দিয়েছিল সেটা কল্পনাও করা যায় না। যাকে তারা ফাঁসি দিয়ে হত্যা করবে তাকে তারা কত কষ্ট দিতে পারে সেটা চিন্তা করে দেখেন। কিন্তু তার ভেতরে যে বিশ্বাস ছিল সে আত্মবিশ্বাস তাকে সেই ভাবে দৃঢ় করে রেখেছিল।

বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email
Print