সোমবার, ২৭শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সোমবার, ২৭শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ সোমবার, ২৭শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলকদ ১৪৪৫ হিজরি

এই খাতটি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জর্জরিত

টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদন : বাস থেকে বছরে চাঁদাবা‌জি ১০৫৯ কোটি টাকা

যেহেতু খাতটি রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে সেহেতু চাঁদার নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে

দেশে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস ও মিনিবাস থেকে বছরে ১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়। এ চাঁদার ভাগ পায় দলীয় পরিচয়ধারী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী, ট্রাফিক ও হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএর কর্মকর্তা-কর্মচারী, মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং  পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিরা। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ব্যক্তি মালিকানাধীন বাস পরিবহন ব্যবসায় শুদ্ধাচার’ শীর্ষক এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, চাঁদাবাজির এ হিসাব খুবই রক্ষণশীল হিসাব। বাস্তবে এর চেয়ে বহুগুণ বেশি চাঁদাবাজি হয় এবং এ চাঁদার ভাগ নানা পর্যায়ে যায়। যেহেতু খাতটি রাজনীতিবিদদের নিয়ন্ত্রণে সেহেতু চাঁদার নিয়ন্ত্রণও তাদের হাতে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, এই খাতটি আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জর্জরিত। বিশেষ করে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এ খাত জিম্মি হয়ে আছে। ফলে যাত্রীরা প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে না।

গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশের বৃহৎ বাস কোম্পানির প্রায় ৯২ শতাংশ পরিচালনার সঙ্গে রাজনীতিবিদরা সম্পৃক্ত। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে যুক্ত।

গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, ৬০. ৫ শতাংশ যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Telegram
WhatsApp
Email
Print